জীবনানন্দ দাশ: প্রতিবন্ধকতা ও সফলতা - ইউসুফ মোল্লা "সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি"(কবিতার কথা) - এই কথা যিনি বলতে পারেন, তিনি যে 'শুদ্ধতম কবি' হবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেন না। জীবনের আনন্দ নিয়ে জীবনানন্দ হননি, জীবদ্দশায় তিনি পাঠকমহলে জনপ্রিয় ছিলেন না। তাইতো মাত্র সাতটি গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছিল জীবদ্দশায়। মৃত্যুর পরে তাঁর লেখার খাতায় অগ্রন্থিত প্রচুর কবিতা, গল্প পাওয়া যায়। সত্তর দশকের পরে পাওয়া উপন্যাসগুলো প্রকাশিত হওয়ার পরে জানতে পারা যায়, তিনি শুধু কবি নন, মনোগ্রাহী উপন্যাসিকও। যেমন- মাল্যবান (১৯৭৩),সুতীর্থ(১৯৭৭), সফলতা-নিষ্ফলতা(২০০৫)। একইভাবে প্রবন্ধকার হিসাবে পরিচিতি লাভ না ঘটলেও তাঁর প্রথম প্রবন্ধের বই 'কবিতার কথা'(১৯৫৬) বাংলা সাহিত্যের রদবদল ঘটিয়ে দেয়। তাঁর মা কুসুমকুমারী দাশ যে ধরনের 'আদর্শ ছেলে' খুঁজেছেন, তিনি তা হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। কথায় বড় হননি, কাজের মাধ্যমেই বড় হয়েছেন। কবি ছিলেন অসম্ভব গম্ভীর প্রকৃতির এবং চরম ধৈর্যশীল মানুষ। ভালোবাসতেন পরিবারকে, সংসারের টুকিটাকি কাজগুলো ভালোবাসতেন। দুই ছেলেমেয়ে, স্ত্রী লাবণ্যের পেনসিলের মাথা ধার ...
বাংলা সাহিত্যের নানা তথ্য এখানে দেওয়া হয়। পোস্টটি ভালো লাগলে বন্ধুদের কাছে শেয়ার করুন।